What to do on a Saturday

What do you do on a Saturday? Good breakfast? Laundry? Other chores? I haven’t had a saturday, or for that matter a sunday for a long long time. Shuttling between a teaching job and a never-ending PhD, somewhere most of the saturdays and sundays have turned into long forgotten friends- those that we fondly remember but hardly meet. And when we do meet, we are at a loss! What to do? What do you do on a Saturday?I can prepare the lecture notes, or work on the paper (If my supervisor reads this, I am in for a thrashing next time I meet. If my students read this, they probably have an explanation of my sluggish lecture upcoming on monday). Or may be do my laundry and sweep away the layer of dust that has accumulated in the balcony. Those are chores to do..but this is a Saturday…no going to work tomorrow! I haven’t seen such a day in ages. This has to be special somehow.I have an invitation to attend in the evening. Gifts to buy and dresses to iron. But then those too can wait. There is an entire afternoon to spend. So here I am, with my till-now-lost friend Saturday, with a cup of coffee, sitting in the sun and doing absolutely nothing. (Writing this shouldn’t count? Or should it?)Enough about me. Who wants to read about an unknown person drinking black coffee unless that person is the Big Boss star!You have watched Julie and Julia? It is a wonderful film is you like films. If you like food, it is a mesmerizing film, though it isn’t about food or cooking. It probably answer the question that is the title of the blog, “What do you do on a Saturday?” How? Let me explain, please!Julia Child- The Julia Child ( Google her, like I did, incase you don’t know about her, like I didn’t) had accompanied her husband to Paris- the place of his posting. The American lady, with all her weekdays turned to Saturdays, was as baffled as me (perhaps) as to “what is to be done” (no cross references here, none yet, atleast). From hat making to bridge lessons- her search ended at the Le Cordon Bleu- and the rest is history, as you perhaps now know from the google search. The films talks of that journey. It also talks about another Julie- the one closer to us in time. She lived over a pizzeria and had a mundane day job. Most of us don’t live over a pizzeria, but do have a mundane day job unless we are on field trip to Padma river to catch fresh Ilish. And though her all days were not Saturdays, but all days had the same drudgery- work at office, work at home, the same faces to meet, the mandatory weekend gatherings. And then, there comes Julia Child and the French Cooking to lift her out of that monotonous life.We, most of us lazying around on the saturday to binge watch the recent netflix series, postponing other chores, and trying to gather ourselves together before the next week begins, where is our Julia Child who tells us what to do on a Saturday?[The added photo is simply to draw attention]

Leave a comment

Filed under Memoirs or Fiction?

বিনি পয়সায় বিলেত

চিরকুট এবং

অনেক অনেক কাল আগের কথা। সাত সমুদ্র তেরো নদীর পারে এক দেশ — রূপকথার গল্পের শুরু এভাবেই। এক রাজা, এক রাজকন্যা, এক রাজপুত্র। আর আছে ধু ধু করা তেপান্তরের মাঠ – আছে  আকাশ ছোঁয়া পাহাড়- যা ডিঙিয়ে রাজপুত্র খুঁজতে যায় সাত রাজার ধন, আছে সমুদ্র আর সমুদ্রের বুকে পাল তোলা ময়ূরপঙ্খী নাও- যাতে করে রাজপুত্রের বাণিজ্য যাত্রা। আর ওই রূপকথার বই এর উপর ঘুমিয়ে, অন্যদের মতো আরেকটা বাচ্চা মেয়ে ও ভাবত যে পাহাড়-পর্বত-সমুদ্র ডিঙিয়ে যেতে কেমন লাগে। অবাক চোখে তাকিয়ে থাকতো ‘ বিলেত ফেরত’ আত্মীয়দের দিকে। ওখানের চকোলেটের মোড়ক ও কেমন ঝকঝকে ! ওরম জিনিস তো পাড়ার নাড়ু কাকুর দোকানে পাওয়া যায়না।

capture3

লিসবনের পুরোনো তল্লাটের একটা ছোট্ট দোকানে কফি খেতে খেতে মনে হলো যে মেয়েটি আর এই মেয়েটিতে কত্ত তফাৎ। একটা সময় ছিল যখন বিদেশ যাওয়াটাই ছিল মধ্যবিত্তের জীবনে একটা উদযাপন। সেখান থেকে ধীরে ধীরে বিদেশ যাওয়াটা দাড়ালো প্রয়োজন। আর এখন তো এটা সত্যিই কোনো ব্যাপার নয়, যাওয়াটা এতটাই সহজ…

View original post 448 more words

Leave a comment

Filed under Memoirs or Fiction?

হাম দেখেঙ্গে

চিরকুট এবং

১৯৮৬ সাল। স্থান কাঁটাতারের পশ্চিম প্রান্তের ওপারে, লাহোর। তার পাঁচ বছর আগে পাকিস্তানে নির্বাচিত সরকারের গণেশ উল্টে দিয়ে জেনারেল জিয়া-উল-হক সামরিক শাসন শুরু করেছে। জুলফিকার আলী ভুট্টোকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। জিয়ার নেতৃত্বে পাকিস্তানে শুরু হলে নতুন উদ্দ্যমে গোটা দেশের ধর্মের নয়া জিগির- শরিয়তি আইনের উন্মাদনা। প্রতিদিন নতুন নিয়ম। বিদ্যা এবং বুদ্ধির প্রতি তৈরী করা হলো ঘৃণা ( ” এরা যত বেশি জানে, তত কম মানে ” – হীরক রাজার দেশের গল্প মনে পড়ছে কি ?) , দেশের প্রতিটা মানুষ যারা জিয়ার বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস করেছেন, তাদের সবাই হয় বন্দি , নয় নজরবন্দি। humdekhenge এই রকম একটা সময়ে, শীতের বিকেলে, আলহামরা আর্ট কাউন্সিলের সভাগৃহে কনসার্ট, ফয়েজ আহমেদ ফয়েজের জন্মদিন উপলক্ষে। নাহ, ফয়েজ বেঁচে নেই। ১৯৮০ সালেই জিয়া উল হকের হাড় জুড়িয়ে, অসংখ্য মানুষের প্রাণ কাঁদিয়ে তিনি মারা গেছেন। তারপরেই তো তার সন্তানসন্ততিরা শুরু করে ফয়েজ মেলা – একদিনের উদযাপন, ফয়েজের জন্মদিনে, ফয়েজের উদ্দেশ্যে। গোটা দিন জুড়ে গান, কবিতা, নাচ, কখনো লাহোরের…

View original post 468 more words

Leave a comment

Filed under Memoirs or Fiction?

আমিনা ও অণিমা

চিরকুট এবং

প্রিয় আমিনা,

আগস্ট, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, নভেম্বর আর এই ডিসেম্বর। মাত্র পাঁচ মাস, সতেরো দিন হয়েছে যে তোমার ওখানে ৩৭০ তুলে নেওয়া হয়েছে। হ্যাঁ, কিছুদিন বেশ হাঙ্গামা চলেছিল এদিকেও, কিন্তু তারপর আমরা সবাই বেশ মানিয়ে গুছিয়েই নিয়েছিলাম। এদিকে লোকজন যথেষ্ট উল্লাসও প্রকাশ করেছিল, কাশ্মীরের টোপ দেখিয়ে ভোট ও তোলার চেষ্টা করেছিল – কিন্তু সে থাক, ও বিষয়ে নাহয় পরে কোনোদিন কথা হবে খন। আমিনা, তোমার থাকার জায়গা পাল্টায়। তুমি হয়তো বুধগাও এর পাহাড় থেকে বঙাইগাওয়ের সমতলে নেমে আসো। অথবা শ্রীনগর এর বরফ থেকে লখনৌ এর গলিতে। কিন্তু তোমার কপাল ছাই পাল্টায় না। তুমি সেখানে আতঙ্কবাদী, এখানে অনুপ্রবেশকারী। তুমি সেখানে গুলির ভয়ে তটস্থ, এখানে কাগজের প্যাঁচে। নাগরিকত্ব বিলটা এখন আর বিল নেই, আইন হয়ে গেছে। সে আইনে তুমি, আর আমি আর এক নই গো। ও আমাদের সবাই কে দুটো লিষ্টে ভাগ করবে জানো তো – নাগরিক আর না-নাগরিক। সেই না-নাগরিকের লিষ্টে থাকা না-মুসলমানরা কিন্তু আবার নাগরিক হওয়ার জন্য দরখাস্ত করতে পারবে, আমি…

View original post 335 more words

Leave a comment

Filed under Memoirs or Fiction?

খাওয়ার গুণ গাওয়া

চিরকুট এবং

পেটুক মানে যে প্রচুর খায়, যেমন টেনিদা। খাদ্যরসিক মানে যে প্রচুর না খেলেও, ভাল খাবার বেশ তাড়িয়ে তাড়িয়ে খায়, যেমন ফেলুদা, এবং আমরা হলাম ওই ফেলুদা এবং টেনিদা হওয়ার স্বপ্ন দেখতে দেখতে ” দাদা, জেলুসিল” হয়ে আটকে থাকা লোকজন। স্বপ্ন দেখবো মুরগি-মটনের, আর লুচি-বেগুন ভাজার  পরে একটা জেলুসিল বা কারমজাইম গালে না ফেললে আরেকটা বেগুন ভাজা নেয়ার সাহস হয়না। আমারও ওই একই দশা।  বছরের বারোর মধ্যে অন্তত দশ মাস কাটে বাড়ির বাইরে। সেখানের খাবার খেয়ে বড়োজোর পেটের শান্তি হতে পারে, প্রাণ বেচারা দশ মাসই অনশনে কাটায়। তাই বাড়ি আসার কথা হলেই মাথায় ফর্দ ঘুরে – লুচি, পরোটা, বোয়াল মাছ, চাপিলা মাছ, মুড়িঘন্ট ইত্যাদি ইত্যাদি। আর ওই কটা দিন রোজ দুপুরের কাজ হলো, “এক থালা ভাত খাইয়া উব্বুইত।”

আগেই বলেছি যে ফেলুদা এবং টেনিদার মধ্যে একটা দড়ি টানাটানি চলে সব সময়।  ফেলুদা যদি বলে যে একটা চপ খেলেই চলবে, টেনিদা বলে আরেকটা না হলে কি জমে – এদিকে যে ঘাড়ে গর্দানে…

View original post 559 more words

Leave a comment

Filed under Memoirs or Fiction?

“আমি হুজুর শক্তিপদ ব্রহ্মচারী”

চিরকুট এবং

ব, রয়েআকারে রা, আর ক – হলো বরাক। বরাক নদীর তীর, বড়াইল পাহাড় মিলিয়ে তৈরী উপত্যকা- বরাক উপত্যকা। বাংলা অক্ষর পরিচয় থেকে শুরু করে দশম শ্রেণীর, উৎকট ইংরেজি এবং মুদ্রণ প্রমাদে ভর্তি, সমাজ বিজ্ঞানের বইতে এটাই হলো বরাকের পরিচয়। তারপর, অনেক সময় ধরে এতে আরো অনেক প্রলেপ পড়েছে, কখনো “ভাষা শহীদের শহর”, কখনো ” বাংলা সাহিত্যের তৃতীয় ভুবন”- এমন আরো অনেক। কিছু বাহারি, কিছু কেজো। তারপর হটাৎ একদিন, একটা বই উল্টে পাল্টে একটা লাইন চোখে পড়লো, ” স্বপ্ন আর সম্বিতের মাঝখানে যে এক ইঞ্চি মতো নো-ম্যান্স ল্যান্ড… ” “স্বপ্ন আর সম্বিতের মাঝখানে-একবার পড়লাম, বারবার পড়লাম। সব অবাক হওয়া কিন্তু আজীবন মনে থাকে না, অল্প কিছুই থাকে। গৌহাটিতে বসে এক কবিবন্ধুকে কবিতা পড়ানোর তালে হটাৎ করে এই লাইনটা দেখে ফেলা আজীবন মনে থাকবে। বুকে চলকে ওঠা রক্ত। মনে হয়েছিল এটাই তো আসল পরিচয় বরাকের- এটাই সেই এক ইঞ্চি মতো নো-ম্যান্স ল্যান্ড। আর আমরা সবাই সেই নো ম্যান্স ল্যান্ডে একজীবন কাটিয়ে যাওয়া সেইসব…

View original post 594 more words

Leave a comment

Filed under Memoirs or Fiction?

উমার বারোমাস্যা

চিরকুট এবং

চারদিন পর বাড়ি ফিরে উমা দেখে ঘরের বাঁশের বেড়া টা একদিকে হেঁলে আছে। এবছর তো মারাত্মক বৃষ্টি দিল পুজোর চারদিন – চারদিক ভাসিয়ে দিয়ে। বাবুদের বাড়িতেও মণ্ডপে জল টল ঢুকে এক্কেবারে একসা। আসলে উমার মত তারাও তো ঐ বছরে কটা দিনের জন্যই বাড়ি আসেন, পুজো টুকুন দিয়েই ফেরত যান। বাকি দিন তালা বন্ধই পরে থাকে। কার্নিশে গাছ গজায়, থামে বাদুড় ঝোলে। বন্ধ বাড়ির চার পাশে মাঝে মাঝেই ঘুরঘুর করে উমা, কিন্তু ঢুকতে পারে না, দরজা বন্ধ থাকে, আর চাবি ও থাকে শহরে, বাবুদের কাছে। উমা ঢুকতে পারে ওই বাড়িতে পুজোর কটা দিন। কি রোশনাই তখন! চোখ ধাঁধিয়ে যায় উমার। ভালোই চলে, মন্দ নয়। বেশ পুরনো সাবেকি পরিবার, পুজোতেও ঘটাপটা আছে ভালোই। মিষ্টি, ফল, ঘিয়ের ছড়াছড়ি। কাজু -কিসমিস গড়াগড়ি যায় এদিক ওদিক। কে বলবে যে বাকি কটা দিন ওখানে সত্যিই ঘুঘু উড়ে বেড়ায়! আর গিন্নি মার দেওয়ার হাত ভালোই – বেশ কয়েকটা ছাপার শাড়ি, গামছা, চাল-ডাল জুটে যায়। ওই টুকুনই ত…

View original post 362 more words

Leave a comment

Filed under Memoirs or Fiction?